করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত

মূল্যস্ফীতির চাপে স্বস্তি, টিআইএন বাধ্যবাধকতা শিথিলের ভাবনা
টুইট প্রতিবেদক: দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি দিতে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে সরকার। আগে এই সীমা ছিল ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাদের বার্ষিক বেতনভিত্তিক আয় ৬ লাখ টাকার কম (বেতনের এক-তৃতীয়াংশ করমুক্ত সুবিধাসহ), তাদের আয়কর দিতে হবে না। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির একটি বড় অংশ সরাসরি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ট্যাক্সপেয়ার্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) জমা দেওয়ার বিধান থেকেও সরে আসার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। অর্থ বিল-২০২৬ পাসের আগে বিভিন্ন অংশীজন ও ব্যবসায়ীদের আপত্তির প্রেক্ষিতে এসব সংশোধনী আনা হচ্ছে।
এছাড়া জমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচায় প্রকৃত মূল্য প্রদর্শনের জন্য নিয়মিত কর পরিশোধের যে নতুন বিধান প্রস্তাব করা হয়েছিল, তা থেকেও সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় লভ্যাংশ আয়ের ওপর ২০ শতাংশ করহার বহাল রাখা হচ্ছে।
খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে একক ভ্যাট হার আরোপের পরিকল্পনাও আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, এসব পরিবর্তন অর্থবিল পাসের মাধ্যমে কার্যকর করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এবার নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক বছরে করমুক্ত সীমা বেড়েছে মোট ৫০ হাজার টাকা।






