সেনানিবাসে সুখ-দুঃখের স্মৃতির কথা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জিয়া কলোনির প্রীতিভোজে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের প্রশংসা

টুইট ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঢাকা সেনানিবাস তার জীবনের স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। শৈশব-কৈশোরের বহু সুখ-দুঃখ, কষ্ট-ব্যথা ও আবেগের স্মৃতি এই এলাকার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদুল আজহা উপলক্ষে জিয়া কলোনি–এ ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আজ এমন একটি জায়গায় এসেছি, যেখানে আমার জীবনের বিরাট একটি অংশ জড়িয়ে আছে। আমার ভালো-মন্দ, কষ্ট-ব্যথা, সুখ-দুঃখের বিশাল স্মৃতি এই পুরো এলাকায় মিশে আছে।”

তিনি আরও বলেন, “ছোটবেলা থেকে এখানে বড় হয়েছি। সৈনিকদের ব্যারাকে ঘুরে বেড়িয়েছি, তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাই এই জায়গায় এলে আলাদা এক অনুভূতি কাজ করে।”

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, দায়িত্ববোধ এবং দেশের সংকটময় মুহূর্তে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্যের প্রশংসা করে সরকারপ্রধান বলেন, সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।

তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলা থেকে শুরু করে জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর অবদান দেশের মানুষ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে। ভবিষ্যতেও বাহিনীর সদস্যরা একই নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি সেনা মেসে অবস্থানরত সদস্যদের জীবনযাত্রার খোঁজখবর নেন।

সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।