যথাযোগ্য মর্যাদায় খুলনায় ঈদ উদযাপন

প্রধান জামাতে মুসল্লিদের ঢল, নগরজুড়ে উৎসবের আবহ।
টুইট প্রতিবেদক: ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য দিয়ে খুলনায় উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের পর থেকেই নগরীজুড়ে বিরাজ করে উৎসবমুখর পরিবেশ। সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়কদ্বীপ ঈদ মোবারক সংবলিত বাংলা ও আরবি ব্যানারে সাজানো হয়।
ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে। এতে ইমামতি করেন মুফতি আব্দুর রাজ্জাক। পরে সকাল ৮টা ও ৯টায় আরও দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান জামাতে অংশ নেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিভাগীয় কমিশনার আবদুল্লাহ হারুনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া সকাল সাড়ে ৭টায় খুলনা আলিয়া মাদরাসাসংলগ্ন মডেল মসজিদ এবং সকাল সোয়া ৭টায় নূরনগর মেট্রোপলিটন মডেল মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে পৃথকভাবে জামাতের আয়োজন করা হয়।
নগরীর খালিশপুর জামে মসজিদ, বায়তুন-নুর জামে মসজিদ, ডাকবাংলা জামে মসজিদ, বায়তুল আমান জামে মসজিদ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদ, সোনাডাঙ্গা হাফিজনগর জামে মসজিদ, পিটিআই জামে মসজিদ, আশরাফিয়া জামে মসজিদ, আল-আমিন জামে মসজিদসহ নগরীর বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে বিপুল মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদ উপলক্ষে সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশুসদন, প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, আশ্রয়ণ কেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্র বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করে এবং স্থানীয় সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করে বিশেষ সংখ্যা।
খুলনার বিভিন্ন উপজেলাতেও স্থানীয় প্রশাসন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে অনুরূপ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপিত হয়েছে।






