রিজওয়ানার থাবায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র

ট্রাস্টি বোর্ড গঠন, মব-অভিযোগ ও দখল নিয়ে তীব্র বিতর্ক; অভিযোগ অস্বীকার করেননি কেউ।
টুইট ডেস্ক: সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ঘিরে ট্রাস্টি বোর্ড গঠন, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও দখলসংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রতিষ্ঠানটিতে একটি প্রভাবশালী মহল মবের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিকে অপসারণে বাধ্য করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অভ্যন্তরে নতুন ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়, যেখানে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের বাইরে একাধিক ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ নিয়ে আইনি ও নীতিগত বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. নাজিমউদ্দিন আহমেদের অভিযোগ, তাকে মব সৃষ্টি করে পদত্যাগে বাধ্য করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ দখল করা হয়। তিনি দাবি করেন, এটি পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে এবং এতে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ কয়েকজনের ভূমিকা রয়েছে।
তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা মন্তব্য করেননি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মবের সময় চাপ প্রয়োগ করে একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং পরে সেটিকে ব্যবহার করে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন করা হয়।
এদিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ইতিহাস ও প্রতিষ্ঠাতা কাঠামো নিয়েও ভিন্ন ব্যাখ্যা উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের ভূমিকা ও পরবর্তী ট্রাস্টি ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ চলছিল বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ট্রাস্টি বোর্ড পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যেকোনো বিরোধের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়াই চূড়ান্ত সমাধান দিতে পারে।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চললেও কোনো পক্ষই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় উপস্থাপন করেনি।






