গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব ছড়াবে প্রতিটি জেলায়

ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা পুনরুজ্জীবনে সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনা, নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য।

রাজধানীর পল্টন ময়দানে বাংলা নববর্ষকে ঘিরে আয়োজিত ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’কে কেন্দ্র করে দেশের গ্রামীণ ও লোকজ খেলাধুলা পুনরুজ্জীবনে নতুন পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানিয়েছেন, আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এ ধরনের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বয়ে এ আয়োজন নিয়মিতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি সামাজিক পরিবর্তনের শক্তিশালী হাতিয়ার।

তরুণ সমাজকে দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনকে আরও বিস্তৃত করা হবে।

নারী ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, নারী খেলোয়াড়দের এগিয়ে নিতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

শিগগিরই এ খাতে বড় ধরনের ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা জানান, গ্রামীণ খেলাধুলার পুনরুজ্জীবন দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

একই সঙ্গে এটি তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সহায়ক হবে।

দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন লোকজ ও গ্রামীণ খেলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।

আয়োজকরা আশা করছেন, সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।