ভারত-বাংলাদেশের ট্রেন চলাচল ফেরানোর উদ্যোগ

মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস চালুর পাশাপাশি রাজশাহী-কলকাতা নতুন ট্রেনের প্রস্তাব; পদ্মা সেতু দিয়ে মৈত্রী চালানোর আগ্রহ ঢাকার
টুইট ডেস্ক: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বাংলাদেশ ও ভারতের আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে দুই দেশ। এ লক্ষ্যে ঢাকায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক আন্তঃসরকারি রেলওয়ে বৈঠক। বৈঠকে মৈত্রী, বন্ধন ও মিতালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর পাশাপাশি নতুন একটি আন্তঃদেশীয় ট্রেন চালুর প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রেল ভবনে শুরু হওয়া বৈঠকে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে সমঝোতা হলে আগামী মাস থেকেই কলকাতা ও নিউ জলপাইগুড়ির সঙ্গে বাংলাদেশের তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চলাচল শুরু করতে পারে বলে জানা গেছে।
২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ-ভারতের যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় নয় মাস বন্ধ থাকার পর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হলেও যাত্রীবাহী ট্রেন এখনো চালু হয়নি।
এবার পুরোনো তিনটি ট্রেন পুনরায় চালুর পাশাপাশি রাজশাহী থেকে কলকাতা রুটে নতুন একটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ। এতে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ভারত ভ্রমণ আরও সহজ হওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের পর্যটন ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।
বৈঠকে ঢাকা-কলকাতা রুটের মৈত্রী এক্সপ্রেসের চলাচলপথ নিয়েও নতুন প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ। বর্তমানে যমুনা সেতু হয়ে চলাচল করা ট্রেনটি পদ্মা সেতু দিয়ে পরিচালনার আগ্রহ প্রকাশ করবে ঢাকা। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ভারতের রেল যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
যাত্রীবাহী ট্রেন চালুর পাশাপাশি বৈঠকে স্থগিত থাকা বিভিন্ন রেল প্রকল্প, আন্তঃদেশীয় রেল যোগাযোগের অবকাঠামো এবং পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। দুই দেশের আলোচনার ফলের ওপর নির্ভর করছে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা যাত্রীবাহী ট্রেনগুলো কবে নাগাদ আবার নিয়মিত চলাচল শুরু করবে।






