মন্ত্রিসভায় রদবদল ও আকার সম্প্রসারণ গুঞ্জন

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন ও কৃষিসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের আলোচনা; সরকারি প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত কিছুই চূড়ান্ত নয়।

টুইট প্রতি‌বেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল হতে পারে এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গন ও সরকারি নীতিনির্ধারণী মহলে জোরালো হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস এবং নতুন মুখ অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সরকারের কার্যক্রমে আরও গতি আনা, জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানো এবং কিছু মন্ত্রণালয়ের কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই সম্ভাব্য এ রদবদলের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সরকারের মন্ত্রিসভায় বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রের বরাত দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন ও কৃষিসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও এ বিষয়ে এখনো সরকারিভাবে কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

আলোচনায় থাকা মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের নাম উঠে এসেছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব দপ্তরে নতুন নেতৃত্ব বা দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি বিবেচনায় থাকতে পারে। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এছাড়া কয়েকজন বর্তমান মন্ত্রীর কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং জনসম্পৃক্ততার মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাঁদের দপ্তর পরিবর্তন বা মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এসব দাবিরও কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক মহলে আরও আলোচনা রয়েছে যে, বর্তমান মন্ত্রিসভার আকার কিছুটা বাড়িয়ে নতুন পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী যুক্ত করা হতে পারে। তবে এ বিষয়েও সরকারিভাবে কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি।

সূত্রগুলোর দাবি, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে এবং নতুন মন্ত্রীদের শপথের আয়োজন করা হতে পারে। তবে সরকার বা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

মন্ত্রিসভায় রদবদল যে কোনো সরকারের নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে। তবে সরকারিভাবে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত সম্ভাব্য পরিবর্তন, ব্যক্তির নাম বা মন্ত্রণালয় পরিবর্তনের সব তথ্যকে জল্পনা বা সূত্রের দাবি হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।