তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, ৩৫ পয়েন্টে তীব্র নদীভাঙন

কুড়িগ্রামে বন্যার শঙ্কা, নিম্নাঞ্চলে ফসলহানির আশঙ্কা বাড়ছে
টুইট ডেস্ক: উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা বৃষ্টিপাতের কারণে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, ফলে জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার মাত্র ২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বৃদ্ধি পেলেও এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।
পাউবো সূত্রে জানা গেছে, পানির চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলায় নদীভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। বর্তমানে অন্তত ৩৫টি স্থানে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০টি স্থানকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে।
নদীভাঙনের কারণে বিভিন্ন এলাকার কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের শুলকুর বাজার এলাকার কৃষক এরশাদ আলী জানান, ধরলা নদীর পানি বাড়ায় তার প্রায় এক বিঘা জমির সবজিক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি আরও বাড়লে পুরো ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি জানান।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, আগামী কয়েক দিনে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। একই সঙ্গে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কাও রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কাজ চলমান রয়েছে।






