সেঞ্চুরির আক্ষেপে মুমিনুল

‘বউ গালি দেবে’ রসিকতায় চাপ লুকোলেন টাইগার ব্যাটার।
টুইট প্রতিবেদক: আবারও নব্বইয়ের ঘরে থেমে গেলেন মুমিনুল হক। মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ এক ইনিংস খেলেও তিন অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। ৯১ রানে আউট হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে রসিকতা করে মুমিনুল বললেন, “আজকে মনে হচ্ছিল আটকে গেছি, বউ হয়তো গালি দেবে।”
তবে হাসির আড়ালে ছিল আক্ষেপের সুরও। কারণ, টানা চার ইনিংসে ৬০-এর বেশি রান করেও সেঞ্চুরি পাননি তিনি। এর আগে তাঁর ইনিংসগুলো ছিল ৮২, ৬৩ ও ৮৭ রানের। ধারাবাহিক রান পেলেও বড় ইনিংস শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পাচ্ছে না।
মুমিনুল অবশ্য ব্যক্তিগত মাইলফলকের চেয়ে দলীয় অবদানকেই বেশি গুরুত্ব দিলেন। তাঁর ভাষায়, “সেঞ্চুরির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের জন্য রান করা। আমি সব সময় চেষ্টা করি দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করতে।”
বাংলাদেশ দলের এই টেস্ট বিশেষজ্ঞ ব্যাটার জানান, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির বাইরে থাকায় টেস্ট ক্রিকেটই এখন তাঁর একমাত্র মনোযোগের জায়গা। তাই নিজেকে অনুপ্রাণিত করেই এগিয়ে যেতে হয় তাঁকে।
মুমিনুল বলেন, “আমি টেস্ট ব্যাটিং উপভোগ করি। কীভাবে রান করতে হয়, সেটা মোটামুটি জানি। নিয়মিত রান করাটাই আমার লক্ষ্য।”
নিজের ব্যাটিং নিয়ে আত্মসমালোচনাও করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, সেঞ্চুরির কথা ভেবে খেলেন না বলেই হয়তো মাঝপথে থেমে যেতে হচ্ছে। তাঁর মতে, আরও দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
মিরপুর টেস্টের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আশাবাদী বাংলাদেশ দল। মুমিনুল মনে করছেন, দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টা পার করতে পারলে বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব।
তিনি বলেন, “সকালের নতুন বলটা সামলানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ঘণ্টায় উইকেট না হারালে ৪০০ থেকে ৪৫০ রান করা সম্ভব।”
এদিকে মিরপুরের স্পিন–সহায়ক উইকেটে পাকিস্তানের টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেওয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে প্রতিপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে চাননি মুমিনুল। শুধু জানিয়েছেন, বাংলাদেশ টস জিতলে তারাও আগে ব্যাটিংই নিত।
টানা ব্যর্থতার আক্ষেপ থাকলেও মুমিনুলের ব্যাটে ফের ধারাবাহিক রান বাংলাদেশের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এখন দেখার বিষয়, অপেক্ষার এই সেঞ্চুরি কবে আসে তাঁর ব্যাটে।






