ঈদের প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

টুইট ডেস্ক: যুদ্ধবিধ্বস্ত বিশ্বে শান্তির আহ্বান জানিয়ে ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় আয়োজিত এ জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে অংশ নেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে একই কাতারে নামাজ আদায় করতে দেখা গেল।
সকাল ৮টা ২০ মিনিটে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাঁচ মিনিট পর সেখানে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে তাঁরা একসঙ্গে নামাজে শরিক হন।
ঈদের এই প্রধান জামাতে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিকসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ এবং বিশ্ব শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জামাতে ইমামতি করেন। খুতবার পর মোনাজাতে দেশের শান্তি-সমৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে সহিংসতা ও সংঘাত বন্ধের জন্য দোয়া করা হয়।
ঈদুল ফিতর এমন এক সময়ে উদযাপিত হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাত চলমান। এ প্রেক্ষাপটে ঈদের জামাতে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশের জন্য মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন এলাকায় ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়। ময়দানের চারপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদগাহ পূর্ণ হয়ে গেলে অনেক মুসল্লি আশপাশের সড়কেই নামাজ আদায় করেন।
এবার মূল প্যান্ডেলে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়। আশপাশের সড়ক ও খোলা জায়গাসহ প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের সুযোগ রাখা হয়। নারীদের জন্যও ছিল পৃথক ব্যবস্থা।
এ ছাড়া জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে ধারাবাহিকভাবে একাধিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীসহ সারা দেশের ঈদগাহ ও মসজিদগুলোতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।






