নারী দিবসে ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আত্মপ্রকাশ।

রাজনীতিতে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও রাজনীতির মূলধারায় তাদের উপস্থিতি এখনও প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।

টুইই ডেস্ক: রাজনীতিতে নারীর কণ্ঠ জোরালো করার আহ্বান।

নারী দিবসে ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে মনিরা,মিতু,নুসরাত

রাজনীতিতে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও রাজনীতির মূলধারায় তাদের উপস্থিতি এখনও প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।

রোববার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপির সহযোগী সংগঠন **‘জাতীয় নারীশক্তি’**র আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়। নতুন সংগঠনের আহ্বায়ক করা হয়েছে মনিরা শারমিনকে, সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুমকে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নারী রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।

কিন্তু আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কমে গেছে।

সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, পারিবারিক চাপ এবং অনলাইন সাইবার নিপীড়ন,এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, অনেক নারী কর্মী সাইবার হয়রানি ও সামাজিক চাপের কারণে রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

এ ধরনের পরিস্থিতি বন্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।নাহিদ ইসলাম বলেন, নারীদের জন্য আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, যেখানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা, দাবি ও রাজনৈতিক ভাবনা প্রকাশ করতে পারবেন।

সেই লক্ষ্য থেকেই ‘জাতীয় নারীশক্তি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি এনসিপির সহযোগী হিসেবে কাজ করলেও নারীর অধিকার, নিরাপত্তা, বৈষম্য দূরীকরণ ও সাইবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

বক্তব্যে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিহাসের প্রতিটি বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক আন্দোলনসব ক্ষেত্রেই নারীরা অগ্রভাগে থেকেছেন, যদিও অনেক সময় তারাই সহিংসতার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতারসহ বিভিন্ন আন্দোলনে যুক্ত নারী কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, শিগগিরই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

ছবির ক্যাপশন: নারী দিবস উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও অধিকার নিয়ে আলোচনা।

আপনি চাইলে আমি এই সংবাদটির জন্য আরও ৫–৬টি শক্তিশালী বিকল্প শিরোনামও তৈরি করে দিতে পারি, যা পত্রিকার প্রথম পাতাররাজনীতিতে নারীর কণ্ঠ জোরালো করার আহ্বান

নারী দিবসে ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে মনিরা–মিতু–নুসরাত

রাজনীতিতে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও রাজনীতির মূলধারায় তাদের উপস্থিতি এখনও প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি।

রোববার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপির সহযোগী সংগঠন **‘জাতীয় নারীশক্তি’**র আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়। নতুন সংগঠনের আহ্বায়ক করা হয়েছে মনিরা শারমিনকে, সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুমকে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নারী রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, পারিবারিক চাপ এবং অনলাইন সাইবার নিপীড়ন,এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, অনেক নারী কর্মী সাইবার হয়রানি ও সামাজিক চাপের কারণে রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এ ধরনের পরিস্থিতি বন্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নারীদের জন্য আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, যেখানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা, দাবি ও রাজনৈতিক ভাবনা প্রকাশ করতে পারবেন।

সেই লক্ষ্য থেকেই ‘জাতীয় নারীশক্তি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি এনসিপির সহযোগী হিসেবে কাজ করলেও নারীর অধিকার, নিরাপত্তা, বৈষম্য দূরীকরণ ও সাইবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

বক্তব্যে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিহাসের প্রতিটি বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক আন্দোলন,সব ক্ষেত্রেই নারীরা অগ্রভাগে থেকেছেন, যদিও অনেক সময় তারাই সহিংসতার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতারসহ বিভিন্ন আন্দোলনে যুক্ত নারী কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, শিগগিরই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

ছবির ক্যাপশন: নারী দিবস উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও অধিকার নিয়ে আলোচনা।

আপনি চাইলে আমি এই সংবাদটির জন্য আরও ৫–৬টি শক্তিশালী বিকল্প শিরোনামও তৈরি করে দিতে পারি, যা পত্রিকার প্রথম পাতার জন্য উপযোগী জন্য উপযোগীর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টি,”জাতীয় নারীশক্তি”র আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।

নতুন সংগঠনের নেতৃত্বে আহ্বায়ক করা হয়েছে মনিরা শারমিনকে, সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুমকে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাইয়ের গণআন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নারী রাজপথে সক্রিয় ছিলেন।

কিন্তু আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কমে গেছে।

সামাজিক প্রতিবন্ধকতা,পারিবারিক চাপ এবং অনলাইন সাইবার নিপীড়ন,এই পরিস্থিতির অন্যতম কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, অনেক নারী কর্মী সাইবার হয়রানি ও সামাজিক চাপের কারণে রাজনীতি থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।এ ধরনের পরিস্থিতি বন্ধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নারীদের জন্য আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, যেখানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা, দাবি ও রাজনৈতিক ভাবনা প্রকাশ করতে পারবেন।

সেই লক্ষ্য থেকেই ‘জাতীয় নারীশক্তি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।সংগঠনটি এনসিপির সহযোগী হিসেবে কাজ করলেও নারীর অধিকার, নিরাপত্তা, বৈষম্য দূরীকরণ ও সাইবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

বক্তব্যে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ইতিহাসের প্রতিটি বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক আন্দোলন,সব ক্ষেত্রেই নারীরা অগ্রভাগে থেকেছেন, যদিও অনেক সময় তারাই সহিংসতার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন।অনুষ্ঠানে সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতারসহ বিভিন্ন আন্দোলনে যুক্ত নারী কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকরা জানান, শিগগিরই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং দেশব্যাপী সংগঠনেরকার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।