শফিকুর রহমান-ফখরুল-নাহিদ-সালাহউদ্দিন ভোট দিয়েছেন

টুইট ডেস্ক: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শুরুর একঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের ভোট দিতে দেখা গেছে। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের বালক শাখা কেন্দ্রে ভোট দেন।

তিনি ঢাকা-১৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী। তার আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান। আসনটিতে এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটপ্রদান করেন। এরপর গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে ভোটে লড়ছেন মির্জা ফখরুল, তার প্রতিপক্ষ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বাড্ডার বেরাইদ এ কে এম রহমত উল্লাহ কলেজ কেন্দ্রের ভোটার। তিনি সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। ৮টার দিকে তিনি ভোটপ্রদান সম্পন্ন করেন।

নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমএ কাইয়ুম।

এছাড়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদও সকাল সাড়ে আটটার দিকে পেকুয়ার সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে ভোট দেন। এরপর তিনি বলেছেন, মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের বাঁক বদলানো শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে ৭টায় সারাদেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে ভোট দিতে কেন্দ্রের সামনে জড়ো হচ্ছেন মানুষ। তার মধ্যে অনেকে কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোটাররা কেন্দ্রে হাজির হন। কোথাও কোথাও ভোটারের লাইন দীর্ঘ হতে দেখা গেছে।

নির্বাচন উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবারই দেশজুড়ে কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠায় ইসি। সারারাত ধরেই ভোটকেন্দ্রগুলোর পাহারায় ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এবার ২৯৯টি আসনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ভোটের লড়াইয়ে নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে।

মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ২৮ জন এবং এদের মাঝে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৭৫ জন। আর মোট প্রার্থীদের মাঝে মাত্র ৮৩ জন হলেন নারী।

মোট প্রার্থীর মধ্যে রাজনৈতিক দলের এক হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৩ জন। নারী প্রার্থীর মধ্যে দলীয় ৬৩ জন ও স্বতন্ত্র ২০ জন। পুরুষ প্রার্থীর মধ্যে দলীয় এক হাজার ৬৯২ জন ও স্বতন্ত্র ২৫৩ জন।