তরুণরা আমার ওপর ক্রাশ খাচ্ছে, আর আমিও কিন্তু তরুণদের প্রতি ক্রাশ হই! বললেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি

টুইট ডেস্ক: নির্বাচনি মাঠে বড় বড় নেতার হেভিওয়েট সব প্রতিশ্রুতি যখন সাধারণ ভোটারদের কানে একঘেয়েমি তৈরি করছে, ঠিক তখনই ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের নির্বাচনি প্রচারণায় ‘গ্ল্যামার’ আর ‘ব্যতিক্রমী বুলি’ দিয়ে আলোচনার তুঙ্গে উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি।
‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চাওয়ার পর এবার তরুণদের ‘ক্রাশ’ খাওয়া নিয়ে তার নতুন মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার গণসংযোগকালে তরুণ ভোটারদের উচ্ছ্বাস দেখে হাস্যোজ্জ্বল মুখে আশা মণি বলেন, ‘ক্রাশ খাওয়া খারাপ কিছু না ভাই। ক্রাশ খেলে শরীর ভালো থাকে এবং মনটা ফুরফুরা হয়। তরুণ বয়সটাই তো ভাই এমন। এজন্যই তরুণরা আমার ওপর ক্রাশ খাচ্ছে, আর আমিও কিন্তু তরুণদের প্রতি ক্রাশ হই!’
তার এমন ‘খোলামেলা’ বক্তব্যে নির্বাচনি এলাকায় যেমন হাসির রোল পড়েছে, তেমনি তরুণ প্রজন্মের মাঝে তাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন, গৎবাঁধা রাজনৈতিক বক্তৃতার বাইরে এমন সাবলীল ও মজার কথা ভোটারদের নজর কাড়তে বেশ কার্যকর হচ্ছে।
এর আগে রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগের সময় ভোটারদের কাছে তিনি এক বিচিত্র আবদার করেন। তরুণদের বেকারত্ব ও বিয়ের সমস্যা দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, অনেক ভাই আমাকে বলছেন তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করতে। আমি বলছি, আমাকে একটা করে ভোট দিন। বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের পথ সহজ করে দেব। এবার বিয়ের উপহার হিসেবেই না হয় আমাকে একটি ভোট দিন।
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১০ জন প্রার্থীর ভিড়ে একমাত্র নারী প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছেন আশা মণি। যদিও এর আগের নির্বাচনে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ছিল নগণ্য, তবে হার না মানা এই প্রার্থীর সাহসকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয়রা।
সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন জানান, ভোট যাই হোক, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে দাঁড়িয়ে একজন নারীর এভাবে সাহসের সঙ্গে লড়াই করাটা নারী ক্ষমতায়নেরই বহিঃপ্রকাশ।






