বাংলাদেশ-মিয়ানমার প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত

দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

টুইট ডেস্ক: গণপ্রজাতন্ত্রী মিয়ানমার ইউনিয়নের বাংলাদেশে নবনিযুক্ত সামরিক, নৌ ও বিমান অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জৌ মান ফিও আজ ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার ( ২৯ জানুয়ারি) সাক্ষাৎকালে দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, যৌথ অনুশীলন, তথ্য আদান-প্রদান এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া, যা দু’দেশের মানবিক ও নিরাপত্তা লক্ষ্যকে সমন্বয় করবে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান নবনিযুক্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জৌ মান ফিওকে বাংলাদেশে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন অ্যাটাশের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দু’দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও দৃঢ় ও ফলপ্রসূ হবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে। দু’দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা, মানবিক সহায়তা প্রদান এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে সামরিক পর্যায়ের সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব রাখে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এর আগে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে নৌ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর এবং পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ আলোচনা ও সমন্বয়।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সমঝোতা বৃদ্ধি করতে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সূত্র: আইএসপিআর