শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় ওয়েবসাইটে প্রকাশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ড, ৪৫৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় চিফ প্রসিকিউটরের ওয়েবসাইটে ।
টুইট ডেস্ক: ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের রায়ও প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে ৪৫৭ পৃষ্ঠার এ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।
এর আগে, গত বছরের ১৭ নভেম্বর বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন। একই রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার কার্যক্রম অনুযায়ী, গত ১ জুন শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। আনুষ্ঠানিক অভিযোগে তিন আসামির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়। পরে গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল এসব অভিযোগ গঠন করেন।
অভিযোগগুলো হলো—
গত বছরের ১৪ জুলাই গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান, হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ দেওয়া, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে হত্যা, আশুলিয়ায় ছয়জন আন্দোলনকারীকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ।
রায়ে উল্লেখ করা হয়, এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক থাকলেও সাবেক আইজিপি মামুন এই মামলার একমাত্র গ্রেফতারকৃত আসামি। অভিযোগ গঠনের দিন (১০ জুলাই) সাবেক আইজিপি মামুন গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। একই দিনে তিনি রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন করেন।
প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে মামলার সাক্ষ্য, যুক্তিতর্ক, আইনগত বিশ্লেষণ ও সাজা নির্ধারণের বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।






