ঠাণ্ডায় জবুথবু জনজীবন, বেড়েছে শীতজনিত রোগ

টুইট ডেস্ক: পঞ্চগড় জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ দিনমজুর শিশু ও বয়স্করা।
তেঁতুলিয়ায় আজ সোমবার (১১ জানুয়ারি) সকাল ছয়টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ১০০ শতাংশ।
আজ সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত কুড়িগ্রামের আকাশে সূর্য দেখা দিলেও তেমনটা উত্তপ ছড়াচ্ছে না।
এবছর শীতের তীব্রতার সাথে উওরীয় হিমেল হাওয়া বয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে কৃষি শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো। ঘন কুয়াশায় বোরে ধানের চারা বীজতলা লাঁলচে ও কোঁকড়ানো হচ্ছে।
কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস আর কুয়াশায় গাইবান্ধায় জেঁকে বসেছে শীত। এতে দুর্ভোগ বেড়েছে শ্রমজীবী খেটে খাওয়া হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
সিরাজগঞ্জে কুয়াশার মাত্রা কিছুটা কমলেও হাড় কাঁপানো প্রচণ্ড শীতে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে। সকাল ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় মানুষ বিপাকে পড়েছে। কমে গেছে আয়।
শরীয়তপুরে একদিকে যেমন বাড়ছে শীত, অন্যদিকে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। শীতজনিত রোগ থেকে পরিত্রাণের জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ চিকৎসকদের।






