তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করল বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

প্রতিরক্ষা পণ্য, সামরিক নৌযান ও শিল্প সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা; দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধান

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল তুরস্কের রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এএসএফএটি (ASFAT) পরিদর্শন করেছে। এ সফরে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের চাহিদা এবং তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতাকে বিবেচনায় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) অনুষ্ঠিত এ সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এএসএফএটি সামরিক কারখানা ও নৌ-শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, প্রকল্প ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে কাজ করে।

প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব বিবৃতিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে তাদের কাছে প্রতিরক্ষা শিল্পের বিভিন্ন পণ্য, প্রকল্প ও সক্ষমতা তুলে ধরা হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জাতীয় উৎপাদন সক্ষমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদারের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনায় সামরিক নৌযান ও নৌ-প্ল্যাটফর্ম, স্থলযানের সমন্বিত প্রযুক্তি, সামরিক কারখানা ও শিপইয়ার্ড আধুনিকায়ন, যৌথ উৎপাদন এবং সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আগে থেকেই চলমান। এর আগে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি দল এএসএফএটি পরিদর্শন করেছেন। নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও যুদ্ধজাহাজ নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

সাম্প্রতিক এ সফরকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ধারাবাহিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: এএসএফএটির অফিসিয়াল বিবৃতি ও সরবরাহকৃত প্রতিবেদন।