সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

টুইট ডেস্ক: সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন দিয়ে ভোট শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, এ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংকালে এ পরিকল্পনার কথা জানান সিইসি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটারের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায় কমিশন। নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য। জাতীয় নির্বাচন যে মানদণ্ডে করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তার চেয়ে ভালোভাবে করার চেষ্টা থাকবে।

সিইসি জানান, দেশে বর্তমানে ১৩টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০টি পৌরসভা, প্রায় ৫০০ উপজেলা ও সাড়ে ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সামনে রয়েছে। এসব নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বন্যা, বর্ষাকাল, দুর্গাপূজা, রমজান, ঈদ এবং বিভিন্ন পরীক্ষা বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে রমজান থাকায় ওই সময়ে নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এরপর ঈদুল আজহা ও বর্ষাকাল রয়েছে। ফলে নির্বাচনের জন্য সময় খুবই সীমিত। সবকিছু বিবেচনা করে শুষ্ক মৌসুমে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ইউপি নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ২০২১ সালে প্রথম ধাপে ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল। এবারও প্রথম ধাপে এসব ইউনিয়নকে বিবেচনায় নেওয়া হবে। পার্বত্য এলাকার নির্বাচনও শুষ্ক মৌসুমে করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

সিইসি জানান, আগামী সেপ্টেম্বরে তপশিল ঘোষণার লক্ষ্য রয়েছে। নভেম্বরে পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব হলে বছরের শেষ দিকে ইউপি নির্বাচন শুরু করা যেতে পারে। নির্বাচন আয়োজনের জন্য সাধারণত প্রায় দুই মাস সময় হাতে রেখে তপশিল ঘোষণা করা প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আচরণবিধি, আইন ও নির্বাচন পরিচালনা বিধি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশোধিত আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর সংসদে পাস করতে হবে।

পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সেবা সহজ করা এবং জালিয়াতি নিয়ন্ত্রণে কমিশন কাজ করছে বলেও জানান সিইসি।