চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই শ্রমিক সংগঠনের বিরোধ, বন্ধ সব রুটের বাস

টুইট ডেস্ক: সড়কে টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা

চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই শ্রমিক সংগঠনের বিরোধ, বন্ধ সব রুটের বাস

সড়কে টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই শ্রমিক সংগঠনের বিরোধের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আকস্মিক ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার হাজারো যাত্রী।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে জেলা শহরের কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বন্ধ রয়েছে ঢাকা বাসস্ট্যান্ড, মহানন্দা বাসস্ট্যান্ড ও বিশ্বরোড মোড়ের টিকিট কাউন্টারগুলো।

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন। অনেকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও গন্তব্যের যানবাহন পাচ্ছেন না।

তবে জেলা শহর থেকে প্রায় ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বালিয়াঘাট্টা পয়েন্ট থেকে কিছু দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে বলে জানা গেছে।

শ্রমিক সংগঠনগুলোর বিরোধের সূত্রপাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার হরিপুর মোড়ে সড়কে গাড়ি থামিয়ে ‘সার্ভিস চার্জ’ আদায়কে কেন্দ্র করে। জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের অভিযোগ, সেখানে বেআইনিভাবে গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে।

সংগঠনটির সভাপতি মো. সাইদুর রহমান বলেন, হরিপুরে বেআইনিভাবে সড়কে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদেই বাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম। তার দাবি, এটি চাঁদা নয়, সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী নেওয়া সার্ভিস চার্জ। প্রতিপক্ষের অবরোধ ও সহিংসতার আশঙ্কায় বাস মালিকরা গাড়ি নামাচ্ছেন না।

এর আগে একই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের মধ্যে একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মামলার ঘটনাও ঘটেছে। বুধবার রাতে মাইকিং করে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের বাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে ধর্মঘট কতদিন চলবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সংগঠনের বিরোধের জেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আকস্মিক ধর্মঘটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার হাজারো যাত্রী।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে জেলা শহরের কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। বন্ধ রয়েছে ঢাকা বাসস্ট্যান্ড, মহানন্দা বাসস্ট্যান্ড ও বিশ্বরোড মোড়ের টিকিট কাউন্টারগুলো।

বাস চলাচল বন্ধ থাকায় জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন। অনেকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও গন্তব্যের যানবাহন পাচ্ছেন না।

তবে জেলা শহর থেকে প্রায় ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বালিয়াঘাট্টা পয়েন্ট থেকে কিছু দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে বলে জানা গেছে।

শ্রমিক সংগঠনগুলোর বিরোধের সূত্রপাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার হরিপুর মোড়ে সড়কে গাড়ি থামিয়ে ‘সার্ভিস চার্জ’ আদায়কে কেন্দ্র করে। জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের অভিযোগ, সেখানে বেআইনিভাবে গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে।

সংগঠনটির সভাপতি মো. সাইদুর রহমান বলেন, হরিপুরে বেআইনিভাবে সড়কে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদেই বাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম। তার দাবি, এটি চাঁদা নয়, সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী নেওয়া সার্ভিস চার্জ। প্রতিপক্ষের অবরোধ ও সহিংসতার আশঙ্কায় বাস মালিকরা গাড়ি নামাচ্ছেন না।

এর আগে একই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের মধ্যে একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও মামলার ঘটনাও ঘটেছে। বুধবার রাতে মাইকিং করে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের বাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে ধর্মঘট কতদিন চলবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।