বিশ্বকাপে বিরল রেকর্ডের মুখোমুখি নিচে

প্রথম ৩০ মিনিট বল স্পর্শহীন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড, ইতিহাসে অনাকাঙ্ক্ষিত অধ্যায়
স্পোর্টস ডেস্ক | TweetNews24.com
টুইট প্রতিবেদক: ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক বিরল ও বিব্রতকর রেকর্ডের জন্ম দিয়েছেন স্পেনের ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারজাবাল। কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচে মাঠে উপস্থিত থেকেও প্রথম ৩০ মিনিটে একবারের জন্যও বল স্পর্শ করতে পারেননি তিনি। ফলে বিশ্বকাপের আধুনিক পরিসংখ্যান যুগে এমন ঘটনার প্রথম নজির গড়লেন স্প্যানিশ এই আক্রমণভাগের খেলোয়াড়যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা শহরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের দখলে। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা অধিকাংশ সময় আক্রমণ পরিচালনা করলেও কেপ ভার্দের সংগঠিত রক্ষণ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পায়নি।
ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হয়ে ওঠে ওয়ারজাবালের নিষ্ক্রিয় উপস্থিতি। স্পেনের একমাত্র কেন্দ্রীয় স্ট্রাইকার হিসেবে মাঠে নামলেও তিনি ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিট বল স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ৩১তম মিনিটে প্রথমবারের মতো বলের সংস্পর্শে আসেন এই ফরোয়ার্ড।
পরিসংখ্যানভিত্তিক সংস্থা অপটা জানিয়েছে, ১৯৬৬ সাল থেকে সংরক্ষিত বিশ্বকাপের তথ্য অনুযায়ী কোনো খেলোয়াড় এর আগে ম্যাচের প্রথম আধাঘণ্টা বল স্পর্শ না করেও মাঠে অবস্থান করেননি। সেই হিসাবে বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের মালিক এখন ওয়ারজাবাল।
স্পেনের আক্রমণভাগে প্রশ্ন
ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ০-০ গোলে সমতায় শেষ হয়। বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই শক্তিশালী স্পেনকে রুখে দিয়ে ইতিহাস গড়ে কেপ ভার্দে। অন্যদিকে স্পেনের জন্য এই ফলাফল শুধু পয়েন্ট খোয়ানোর হতাশাই নয়, আক্রমণভাগের কার্যকারিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে
বল দখল, আক্রমণ এবং সুযোগ সৃষ্টিতে এগিয়ে থেকেও গোল করতে না পারা স্পেনের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মূল স্ট্রাইকারের দীর্ঘ সময় বলের বাইরে থাকা দলটির কৌশলগত দুর্বলতাকেও সামনে নিয়ে এসেছে।
কেপ ভার্দের ঐতিহাসিক অর্জন
বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম উপস্থিতিতেই ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে পয়েন্ট আদায় করে কেপ ভার্দে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে। শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ, আত্মবিশ্বাসী খেলা এবং প্রতিরোধমূলক কৌশলের মাধ্যমে তারা টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় চমকের জন্ম দিয়েছে।
ফলে ম্যাচটি যেমন কেপ ভার্দের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে, তেমনি ওয়ারজাবালের নামও বিশ্বকাপ ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী রেকর্ডের কারণে দীর্ঘদিন আলোচনায় থাকবে।






