শ্বাসরোধে হত্যা, আত্মহত্যার গল্প সাজানোর অভিযোগ

তরুণীকে হত্যার পর মরদেহ ফেলে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার; তদন্তে বেরিয়ে এলো ভিন্ন চিত্র।
টুইট ডেস্ক: ৫ জুন: যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যে এক তরুণীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে দাবি করেছিলেন যে ওই নারী নিজেই আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত ও তদন্তে পাওয়া তথ্য সেই বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, ২৩ বছর বয়সী কারেন হলিস নিখোঁজ হওয়ার পর দীর্ঘ অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে তার পরিবারের সদস্যরা একটি মহাসড়কের পাশে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। তদন্তকারীরা জানান, ইলেকট্রনিক তথ্য-উপাত্ত ও অন্যান্য প্রমাণের সূত্র ধরে মরদেহের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
তদন্তে উঠে এসেছে, ৪৪ বছর বয়সী র্যান্ডাল লেন্ডেল ডি-জার্নি নামের এক ব্যক্তি হলিসকে তার নিজ বাসভবনে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পরে মরদেহ একটি আবর্জনার ব্যাগে ভরে মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে মৃতদেহের অবমাননার অভিযোগ আনা হলেও ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারণ শ্বাসরোধজনিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযোগের ধরন পরিবর্তন করে হত্যা মামলা করা হয়।
তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহত ও অভিযুক্ত একে অপরের পরিচিত ছিলেন। তবে হত্যার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধান চলছে।
নিখোঁজ হওয়ার আগে হলিস তার পরিচিতজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তার অবস্থান নির্ণয়ে ব্যবহৃত চলাচল-নিরীক্ষণ তথ্য এবং মুঠোফোনের উপাত্ত তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইতোমধ্যে একাধিক তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে শারীরিক, সাক্ষ্যভিত্তিক এবং ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ করেছে।
বর্তমানে অভিযুক্তকে জামিন ছাড়াই কারাগারে রাখা হয়েছে। মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।






