বাজেটের আগে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ‘ধোঁকাবাজি’: জামায়াত আমির

মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন চাপে পড়বে, সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ডা. শফিকুর রহমানের

টুইট ডেস্ক: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, বাজেট অধিবেশন শুরুর ঠিক আগে তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হলে সেটি হবে “এক ধরনের ধোঁকাবাজি”।

রোববার (৩১ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত মাসেই এক দফায় ৮ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে বাজারে পড়েছে এবং দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি, বরং বেকারত্ব বাড়ছে বলে তিনি দাবি করেন।

তার ভাষ্য, “দিশেহারা জনগণ যাবে কোথায়, বাঁচবে কীভাবে?”

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, সরকার এর আগে অন্তত চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির উদ্যোগ জনস্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজেট অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। বাজেটের আগে যদি তড়িঘড়ি করে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে এটি হবে এক ধরনের ধোঁকাবাজি।”

ফেসবুক পোস্টে জনগণকে নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বানও জানান ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “অধিকার কেউ ঘরে এনে দেবে না, লড়াই করে আদায় করতে হবে।”

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে উঠছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে রোববার রাতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ডিজেল ছাড়া অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। নতুন এ মূল্য সোমবার (১ জুন) থেকে কার্যকর হয়েছে।