গাছে বেঁধে যুবক নির্যাতন: গ্রেপ্তার ২

মতিহারে চাঞ্চল্য; পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত।
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানা এলাকায় এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আলোচিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাজে কাজলা এলাকার মুহিন (১৮) এবং ধরমপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার আলী হাসান মো. মুজাহিদ (২২)। তারা উভয়েই মহানগরীর বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হৃদয় নামের এক যুবকসহ ৩ থেকে ৪ জন তুষার নামের এক যুবকের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজ করেন। এ সময় তুষারের বাবা জানান, তিনি বাড়িতে নেই।
পরে কেন তুষারকে খোঁজা হচ্ছে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা বিষয়টি পরে জানানো হবে বলে জানায়। পাশাপাশি এ বিষয়ে কোনো ধরনের সুপারিশ না করার জন্যও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরদিন ১০ মে সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তুষার অভিযুক্ত হৃদয়ের বাড়িতে গিয়ে তাকে খোঁজার কারণ জানতে চান। এ সময় সেখানে উপস্থিত কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে এলোপাতাড়িভাবে মারধর ও নির্যাতন করা হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় তুষারকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা মো. নাজির আলী বাদী হয়ে মতিহার থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন শামীম (৫৫), হৃদয় (২২), আশিক (২২), মুহিন (১৮) ও আলী হাসান মো. মুজাহিদ (২২)।
অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজুর পর অভিযান চালিয়ে মামলার ৪ ও ৫ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে মতিহার থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে,গাছে বেঁধে যুবক নির্যাতন, গ্রেপ্তার ২
মতিহারে চাঞ্চল্য; পলাতক আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত
রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানা এলাকায় এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আলোচিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাজে কাজলা এলাকার মুহিন (১৮) এবং ধরমপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার আলী হাসান মো. মুজাহিদ (২২)। তারা উভয়েই মহানগরীর বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হৃদয় নামের এক যুবকসহ ৩ থেকে ৪ জন তুষার নামের এক যুবকের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজ করেন। এ সময় তুষারের বাবা জানান, তিনি বাড়িতে নেই। পরে কেন তুষারকে খোঁজা হচ্ছে জানতে চাইলে অভিযুক্তরা বিষয়টি পরে জানানো হবে বলে জানায়।
পাশাপাশি এ বিষয়ে কোনো ধরনের সুপারিশ না করার জন্যও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরদিন ১০ মে সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তুষার অভিযুক্ত হৃদয়ের বাড়িতে গিয়ে তাকে খোঁজার কারণ জানতে চান। এ সময় সেখানে উপস্থিত কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে এলোপাতাড়িভাবে মারধর ও নির্যাতন করা হয়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় তুষারকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল ক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা মো. নাজির আলী বাদী হয়ে মতিহার থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন শামীম (৫৫), হৃদয় (২২), আশিক (২২), মুহিন (১৮) ও আলী হাসান মো. মুজাহিদ (২২)।
অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজুর পর অভিযান চালিয়ে মামলার ৪ ও ৫ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে মতিহার থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে






