সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা ‘আশার আলো’; পেশাদারিত্ব ও শক্তিশালী বাহিনী গঠনে জোর।

টুইট ডেস্ক: ঢাকার ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্বশীল ভূমিকা দেশের জনগণের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাহিনী শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশকে কোনো শক্তিই পরাভূত করতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়,এটি রাষ্ট্রের সম্পদ।

পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে বাহিনীর সদস্যদের প্রতি তিনি কঠোর আহ্বান জানান এবং বলেন, এই ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও সক্ষম বাহিনীতে রূপান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অতীতের পিলখানা হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই ঘটনার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছিল।

সেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলতে চায়, যা বহিঃশক্তির কাছে সম্মান আদায় করবে এবং দেশের জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে থাকবে।

বাহিনীকে সবসময় উচ্চ আদর্শ ও নৈতিক অবস্থানে থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর অবদানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে চেতনা তিনি জাগ্রত করেছিলেন, তা অম্লান রাখতে হবে।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা রক্ষায় সেই আদর্শই ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে।