হাম মোকাবিলায় সরকার বদ্ধপরিকর : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় টিকাদান শুরু, ২০ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে অভিযান

টুইট ডেস্ক: দেশে হাম-এর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে ইতোমধ্যে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

রোববার রাজধানীর কড়াইল বস্তি-এর এরশাদ মাঠে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

৩০ উপজেলায় বিশেষ নজর

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকেই জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম চালু রয়েছে।

২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী কর্মসূচি

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে বড় সিটি কর্পোরেশনগুলোতে টিকাদান শুরু হয়েছে এবং আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই কর্মসূচি বিস্তৃত করা হবে।

শিশুদের টিকাদানে গুরুত্ব

৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের অবশ্যই টিকার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অধিকাংশ শিশুকে টিকা দেওয়া গেলে ‘গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা’ তৈরি হবে, ফলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ কমে যাবে।

দ্রুত ছড়ালেও প্রতিরোধ সম্ভব

প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাম অত্যন্ত সংক্রামক হলেও সময়মতো টিকা দিলে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি ও গণটিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সিটি কর্পোরেশনে স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গ

অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, জানান—ডিএনসিসির নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে নগরবাসী সহজে স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে।

সচেতনতার ওপর জোর

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারলে অপপ্রচার মোকাবিলা করা সহজ হবে। টিকাদান কর্মসূচির সফলতায় জনগণের অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ছাড়াও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।