আবৃত্তির স্বীকৃতি চাইলেন এমপি সাঈদ আল নোমান

শিল্পকলা একাডেমিতে স্বতন্ত্র বিভাগ না থাকায় ‘সাংস্কৃতিক অবমূল্যায়ন’ ,সংস্কৃতি মন্ত্রীর কাছে (ডিও চিঠি)।
দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আবৃত্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে জোর দাবি উঠেছে। চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে তিনি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে একটি ডেমি অফিসিয়াল (ডিও) চিঠি পাঠিয়েছেন।
শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, আবৃত্তি কেবল একটি শিল্পমাধ্যম নয়,এটি ভাষা, সাহিত্য ও জাতিসত্তার গভীরতম প্রকাশ। তার ভাষায়, “আবৃত্তি আমাদের সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দন, যা জাতির চেতনা ও মানবিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নতুন শিল্পকলা একাডেমি অধ্যাদেশ-২০২৬ এর বিভাগের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও আবৃত্তিকে স্বতন্ত্রভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
বিষয়টিকে তিনি দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ধারাকে উপেক্ষার শামিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য আবৃত্তিশিল্পী ও সংগঠন নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।
কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাবে এই শিল্পচর্চা কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারছে না।
ফলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে এ শিল্পের বিস্তারও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সংসদ সদস্যের মতে, আবৃত্তিকে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে একদিকে শিল্পীরা প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা পাবেন, অন্যদিকে দেশের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল আরও সমৃদ্ধ হবে।
তিনি দ্রুত বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
এদিকে আবৃত্তিপ্রেমী ও সংশ্লিষ্ট মহল এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।
তাদের মতে, এ দাবি বাস্তবায়িত হলে আবৃত্তিচর্চা নতুন গতি পাবে এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা আরও শক্তিশালী হবে।






