জ্বালানি সংকটে মহাসড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে জনজীবন

গোপালগঞ্জে তেল না পেয়ে বাইকারদের বিক্ষোভ; প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এক ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক
প্রতিবেদন

জ্বালানি তেলের অপ্রাপ্যতায় সৃষ্ট ক্ষোভে গোপালগঞ্জে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বাইকাররা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মান্দারতলা এলাকায় এই অবরোধের ঘটনায় মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর থেকেই গোপালগঞ্জ পৌর এলাকার একাধিক ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেল চালকরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল পাননি।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেল পৌনে তিনটার দিকে নিগি ফিলিং স্টেশনের সামনে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন তারা।

অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়।

এতে আটকা পড়ে অর্ধশতাধিক যানবাহন এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠলেও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধকারীদের সঙ্গে কথা বলে এবং সড়কে ফেলা গাছের গুঁড়ি সরিয়ে নেয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার আহমেদ ও ফারদিন খান প্রিন্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম তদারকি করেন।

পরবর্তীতে তেল সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিক্ষুব্ধ বাইকারদের অভিযোগ, ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল মজুত থাকলেও তা সরবরাহ করা হচ্ছিল না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পাওয়ায় তাদের কর্মজীবন ও দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনের মালিক দাবি করেন, অতিরিক্ত চাপের কারণে কর্মচারীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এবং জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত তেল বিতরণ ব্যাহত হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।