আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি সিইসির

নির্বাচন কমিশনেরড্রোন নজরদারি, কেন্দ্রীয় মনিটরিং ও বাড়তি নিরাপত্তায় শেরপুর,বগুড়া উপনির্বাচনে ‘স্বাভাবিক পরিবেশ’ দাবি নির্বাচন কমিশনের
টুইট ডেস্ক: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল পরিদর্শন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের নির্বাচন আয়োজনই এখন কমিশনের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী নির্বাচনের যে মানদণ্ড প্রচলিত, বাংলাদেশেও সেই মান প্রতিষ্ঠা করতে সবধরনের প্রযুক্তি ও কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন এবং বগুড়া-৬ উপনির্বাচনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে সিইসি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটর করা হচ্ছে। ড্রোনসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে কোনো অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত করা যায়।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী শেরপুর এলাকায় সেনা মোতায়েনের সীমাবদ্ধতার কারণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি র্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।
সকালের প্রাপ্ত প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে সিইসি বলেন, ভোটগ্রহণ শুরু থেকেই পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোটাররা নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে আসছেন, ভোট দিচ্ছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে ফিরে যাচ্ছেন।
যদিও উপনির্বাচনে সাধারণত ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম থাকে, তারপরও পরিস্থিতি ইতিবাচক বলে দাবি করেন তিনি।
চট্টগ্রামের দুটি আসনের ফলাফল প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন হওয়ায় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিশন পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারের চিঠির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নয়; নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে চলমান বিতর্ক সম্পর্কেও সিইসি মন্তব্য এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এসব বিষয় বর্তমানে অপ্রাসঙ্গিক এবং অনেকাংশই বিচারাধীন।
নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট না হওয়ায় কমিশন এ নিয়ে কোনো অবস্থান দিচ্ছে না।
সার্বিকভাবে নির্বাচন কমিশন আশাবাদী,প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।






