বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণে শর্তসাপেক্ষ অগ্রগতি

নীতিগত সিদ্ধান্ত ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে বাস্তবায়ন।
টুইট ডেস্ক: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ প্রশ্নে সরকার এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি; তবে নীতিগত অনুমোদন মিললেই শিক্ষক,কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম ভূইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেসরকারি কলেজ সরকারীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়ে থাকে এবং পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক,কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি পর্যালোচনা করে বিধি বিধান অনুসরণে জাতীয়করণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ ধরনের জাতীয়করণ একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া।
এটি শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্ত নয়; বরং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক সক্ষমতা, বিদ্যমান নীতিমালা এবং জাতীয় বাজেটের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৩৪ হাজার ১২৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৫ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৪ জন শিক্ষক এবং ২ লাখ ৬ হাজার ৬৯৯ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।
ফলে জাতীয়করণের যেকোনো সিদ্ধান্তে বড় আকারের আর্থিক ও প্রশাসনিক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও নীতিগত অগ্রাধিকার স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত এ খাতে দ্রুত কোনো বড় সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম। তবে ধাপে ধাপে সরকারীকরণের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় সমতা আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।






