স্পিন অনুশীলনে প্রযুক্তির ছোঁয়া

‘মারলিন বাই বোলা’ মেশিনে বদলাচ্ছে ব্যাটারদের প্রস্তুতি
ক্রীড়া প্রতিবেদক।
টুইট ডেস্ক: আধুনিক ক্রিকেটে অনুশীলন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে।
সেই ধারাবাহিকতায় স্পিন বোলিং অনুশীলনে ‘মারলিন বাই বোলা’ মেশিন নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২০০৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ব্যবহৃত এই যন্ত্রটি এখন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অনুশীলন সরঞ্জাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
শুরুর দিকে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা থাকলেও সময়ের সঙ্গে তা কাটিয়ে উঠেছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।
ক্রিকেট বিশ্লেষক হেনরি প্রিয়র এবং ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্টুয়ার্ট অ্যান্ড উইলিয়ামসের সহায়তায় মেশিনটির আধুনিকায়ন সম্পন্ন হয়।
ফলে এটি এখন আরও নিখুঁতভাবে বিভিন্ন ধরনের স্পিন বল তৈরি করতে সক্ষম।
বর্তমানে ইংল্যান্ড ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ক্রিকেট শক্তিধর দেশগুলোতে এই মেশিন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিশেষ করে ব্যাটারদের স্পিন মোকাবিলার দক্ষতা বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় দলের ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস জানান, এই মেশিন দিয়ে অফ স্পিন, লেগ স্পিন এবং সোজা বল অনুশীলন করা সম্ভব।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, ডানহাতি ব্যাটারের বিপক্ষে অফ স্পিন যেমন কাজ করে, তেমনি বাঁহাতি বোলারের ক্ষেত্রে সেটি ‘চায়নাম্যান’ হিসেবে ধরা যায়।
একইভাবে লেগ স্পিনের বিপরীতে বাঁহাতি বোলারের অফ স্পিন অনুশীলন করা যায়।
তিনি আরও বলেন, “এই মেশিনে আর্ম বলসহ তিন ধরনের ডেলিভারি খেলা যায় এবং বলের লেন্থও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা সম্ভব।”
তার মতে, বাস্তব ম্যাচ পরিস্থিতির কাছাকাছি অভিজ্ঞতা দেওয়ায় ব্যাটারদের প্রস্তুতি অনেক বেশি কার্যকর হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক ক্রিকেটে স্পিন বোলিং মোকাবিলায় দক্ষতা বাড়াতে এমন প্রযুক্তিনির্ভর অনুশীলন অপরিহার্য হয়ে উঠছে।
ফলে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দলগুলোকে আরও বেশি প্রযুক্তিনির্ভর হতে হবে।






