প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের দাপটে চেলসির ইউরোপীয়

স্বপ্নভঙ্গ দুই লেগ মিলিয়ে ৮–২ গোলে বিধ্বস্ত ইংরেজ ক্লাব; তরুণদের উজ্জ্বল পারফরম্যান্সে শিরোপার পথ।
টুইট ডেস্ক: ইউরোপের সবচেয়ে সম্মানজনক ক্লাব প্রতিযোগিতায় চেলসির যাত্রা শেষ হয়েছে চরম হতাশায়।
প্যারিস সেন্ট জার্মেই দুই লেগ মিলিয়ে ৮–২ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়ে সরাসরি শেষ আটে উঠে গেছে।
এই ফলাফল শুধু একটি পরাজয় নয়, বরং চেলসির রক্ষণভাগের দুর্বলতা ও প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের আক্রমণাত্মক দক্ষতার স্পষ্ট প্রমাণ। প্রথম লেগে পার্ক দে প্রিন্সেসে ৫–২ গোলে হারের ধাক্কা সামলাতে পারেনি চেলসি। ফিরতি লেগে নিজেদের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে অন্তত প্রতিরোধ গড়ার আশা ছিল তাদের।
কিন্তু সেখানেও তারা ৩–০ গোলে পরাজিত হয়েছে। এতে সামগ্রিক ব্যবধান হয়েছে ৮–২। ম্যাচের শুরুতেই চেলসির ভুলের সুযোগ নিয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই। ষষ্ঠ মিনিটে গোলরক্ষকের ব্যর্থতায় এগিয়ে যান খভিচা কারাতখেলিয়া। মাত্র আট মিনিট পর ব্যবধান বাড়ান ব্র্যাডলি বার্কোলা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ১৯ বছরের তরুণ মিডফিল্ডার সেনি মায়ুলু দারুণ এক শটে তৃতীয় গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেন।
এই তিনটি গোলই দেখিয়ে দিয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের আক্রমণভাগের গতি ও তরুণদের প্রতিভা কতটা ভয়ংকর।
চেলসির জন্য এই হার কেবল একটি ম্যাচের ফল নয়। ২০২০ সালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর এটি তাদের আরেকটি দুঃসহ স্মৃতি হয়ে থাকল।
ম্যাচের শেষভাগে হতাশ দর্শকদের অনেকেই স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান। রক্ষণভাগের ভুল ও মিডফিল্ডের অসংগতি চেলসির আজকের পরাজয়ের মূল কারণ বলে মনে হয়। অন্যদিকে প্যারিস সেন্ট জার্মেই দাপটের সঙ্গে শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে।
তরুণ মায়ুলুসহ নতুন প্রজন্মের উত্থান এবার তাদের শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে আরও জোরালো করেছে। ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে। (সর্বশেষ হালনাগাদ: ১৮ মার্চ ২০২৬)






