৮ ভিসিকে একযোগে অপসারণে উদ্বেগ, ব্যাখ্যা চায় ইউটিএল

উচ্চশিক্ষায় অস্থিরতার আশঙ্কা, প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন
টুইট ডেস্ক: একসঙ্গে ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অপসারণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ড. যোবাইর মুহাম্মদ এহসানুল হক এবং সদস্যসচিব ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন এ উদ্বেগ জানান।
‘হঠাৎ সিদ্ধান্তে অস্থিরতা’
বিবৃতিতে তারা বলেন, কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা ছাড়াই রাতারাতি ভিসিদের অপসারণ এবং নতুন নিয়োগ উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি করছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো—সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তাদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত বিরল এবং শিষ্টাচার পরিপন্থি।
‘প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা’
ইউটিএল নেতারা অভিযোগ করেন, ভিসি নিয়োগ ও অপসারণের ক্ষেত্রে প্রচলিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কোনো পূর্ব আলোচনা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক রীতির পরিপন্থি।
তারা আরও বলেন, ভিসির পদ একজন শিক্ষকের পেশাজীবনের সর্বোচ্চ সম্মানগুলোর একটি। সেই পদে থাকা অবস্থায় যথাযথ সৌজন্য না দেখিয়ে অপসারণ করা পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের প্রতি অসম্মানজনক।
মেয়াদ ও পরিকল্পনায় প্রভাব
ইউটিএল জানায়, বাংলাদেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিরা সাধারণত চার বছরের জন্য নিয়োগ পান। এই সময়ের মধ্যে তারা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন।
এভাবে আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।
নতুন নিয়োগ নিয়ে আলোচনা
এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়–এর নতুন ভিসি হিসেবে ওবায়দুল ইসলাম–এর নিয়োগ নিয়েও আলোচনা চলছে শিক্ষা মহলে।
সার্বিক পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা, ব্যাখ্যা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে ইউটিএল।






