ড্রোন হামলায় নিহত ৬ সেনার মরদেহে ট্রাম্পের স্যালুট

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রথম হতাহত; কুয়েতে হামলায় নিহত সেনাদের দেহ দেশে ফিরল
টুইট প্রতিবেদক: কুয়েতে ইরানি ড্রোন হামলায় নিহত ছয়জন মার্কিন সেনা সদস্যের মরদেহ যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছালে সম্মানজনক স্থানান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে স্যালুট জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের দোভার এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে পতাকা-ঢাকা ট্রান্সফার কেসে করে নিহত সেনাদের মরদেহ বহন করা হয়। সেনাসদস্যরা মরদেহ বহনের সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্যালুটের মাধ্যমে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত সেনারা হলেন—মেজর জেফরি ও’ব্রায়েন, ক্যাপ্টেন কোডি খর্ক, চিফ ওয়ারেন্ট অফিসার ৩ রবার্ট মারজান, সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস নিকোল অ্যামর, সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস নোয়াহ টিয়েটজেন্স এবং সার্জেন্ট ডেকলান কোডি। তারা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের সেনা রিজার্ভের ১০৩তম সাসটেইনমেন্ট কমান্ডের সদস্য ছিলেন এবং সামরিক সরবরাহ ও সহায়তা কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিলেন।
গত ১ মার্চ কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবা এলাকায় একটি অস্থায়ী সামরিক অপারেশন কেন্দ্রে ইরানি চালকবিহীন উড়োজাহাজ হামলায় তারা নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান “অপারেশন এপিক ফিউরি” শুরুর পর এটিকে ইরানের প্রথম প্রতিশোধমূলক হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পেন্টাগনের তথ্যমতে, ওই হামলায় আরও ১৮ জন মার্কিন সেনা গুরুতর আহত হয়েছেন।
শোকাবহ এই অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যুদ্ধকালীন প্রথম মার্কিন হতাহতের স্মরণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
এদিকে চলমান সংঘাতের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কুয়েত, ইরাকসহ কয়েকটি দেশ তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা বাড়িয়েছে।
সুত্র: রয়টার্স, সিএনএন, এপি এবং পেন্টাগনের সরকারি বিবৃতি থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।






