ফাইনালে রান বন্যার ইঙ্গিত

আহমেদাবাদের মিশ্র মাটির উইকেটে ব্যাটারদের সুবিধা, পেসারদের মিলতে পারে বাড়তি বাউন্স।

টুইট ডেস্ক: বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে সবচেয়ে বড় কৌতূহলের একটি হলো,উইকেটের আচরণ কেমন হবে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে বিশেষ ধরনের মিশ্র মাটির উইকেট, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে লাল ও কালো দুই ধরনের মাটি।

তবে প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় লাল মাটির পরিমাণই রাখা হয়েছে বেশি।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উইকেটে সাধারণত বল ব্যাটে ভালোভাবে আসে। ফলে দুই ইনিংসেই ব্যাটাররা সুবিধা পেতে পারেন। একই সঙ্গে মাটির গঠনের কারণে পেসাররা বাড়তি বাউন্স পেতে পারেন, যা শুরুতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। তবে স্পিনারদের জন্য খুব বেশি সহায়তা থাকার সম্ভাবনা কম; টার্নও সীমিত থাকতে পারে।

ব্যাটিং সহায়ক এই উইকেটকে ঘিরে ফাইনালে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনার কথাও বলছেন বিশ্লেষকরা।

তাঁদের ধারণা, ম্যাচে দুই শতাধিক রানও দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে দর্শকদের সামনে চার ছক্কার জমজমাট লড়াই উপভোগ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

চলতি বিশ্বকাপে এই উইকেটে এখন পর্যন্ত হয়েছে মাত্র একটি ম্যাচ। সেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ২১৩ রান তুলে কানাডাকে ৫৭ রানে পরাজিত করেছিল।

একই ভেন্যুতে ভারত দুটি ম্যাচ খেলেছে। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১৯৩ রান করে ১৭ রানের জয় পেলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয়ে ৭৬ রানের বড় পরাজয় দেখেছিল স্বাগতিকরা।

অন্যদিকে আহমেদাবাদের এই মাঠে খুব সুখকর স্মৃতি নেই নিউজিল্যান্ডেরও। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এখানেই সাত উইকেটের হার দেখেছিল কিউইরা। সেই অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে ফাইনালের মঞ্চে নতুন ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যেই মাঠে নামবে তারা।

সব মিলিয়ে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ফাইনাল ম্যাচে বড় রান এবং আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের সম্ভাবনাই বেশি দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। দর্শকদের জন্য তাই অপেক্ষা করছে রোমাঞ্চে ভরা আরেকটি বড় লড়াই।