স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন হানিফ সংকেত

মর দলণোত্তর সম্মান বশির আহমেদ; তালিকায় খালেদা জিয়াসহ ২০ জন।

টুইট প্রতিবেদক:জাতীয় জীবনে গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬ পাচ্ছেন বরেণ্য টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও নির্মাতা হানিফ সংকেত এবং উপমহাদেশের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)।

সরকার ঘোষিত মনোনীতদের তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে হানিফ সংকেতের নাম। তাঁর ঠিক পরেই অষ্টম স্থানে রয়েছে কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদের নাম, যাকে মরণোত্তর এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে গণমাধ্যম, সংস্কৃতি ও সংগীতাঙ্গনে তাঁদের অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিতেই এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।

এ বছরের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারীশিক্ষাসহ রাষ্ট্রগঠনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকেও মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যক্তি ছাড়াও জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। চলতি বছর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ২০ জনকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

  • উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে আসছে।