বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক

অশুল্ক বাধা অপসারণে জোর, চুক্তি সংশোধনের সুযোগ রাখলেন মন্ত্রী।
টুইট প্রতিবেদক: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস পল কাপুর এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির–এর সঙ্গে বুধবার (৪ মার্চ) সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা সহযোগিতা সম্প্রসারণ, মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অশুল্ক বাধা দূর করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
চুক্তি চূড়ান্ত নয়, পর্যবেক্ষণে সরকার
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। সম্প্রতি স্বাক্ষরিত বাণিজ্য সমঝোতাকে তিনি রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কাঠামোগত অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এটিকে একপাক্ষিকভাবে ইতিবাচক বা নেতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী জানান, মার্কিন শুল্কনীতি এখনো পরিবর্তনশীল। সরকার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। চুক্তিটি চূড়ান্ত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আলোচনার মাধ্যমে এতে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে।
বিনিয়োগ ও চলাচল সহজীকরণে জোর
বৈঠকে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক সফর ও যোগাযোগ সহজীকরণের বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিশেষ করে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, প্রযুক্তি সহযোগিতা এবং উদীয়মান খাতে যৌথ বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সফর কাপুরের দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশে প্রথম আগমন। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
বিশেষ করে তৈরি পোশাক, তথ্যপ্রযুক্তি ও সবুজ জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হতে পারে।






