ইরান হামলায় ট্রাম্পের পাশে নেই বেশিরভাগ মার্কিনি

ইরান হামলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক তীব্র, জরিপে সামরিক সিদ্ধান্তে কম সমর্থন!
টুইট ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বশেষ রয়টার্স-ইপসোস জনমত জরিপে দেখা গেছে, এই হামলার প্রতি মার্কিন জনগণের সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
জরিপে উঠে এসেছে, মাত্র ২৭ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে সমর্থন করেছেন, বিপরীতে ৪৩ শতাংশ সরাসরি বিরোধিতা করেছেন।
প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এমনকি রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা গেছে; প্রতি চারজনের একজন ট্রাম্পের সামরিক নীতিকে অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক বলে মনে করেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও নেতৃত্বকেন্দ্রিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ওই অভিযানে খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতারা নিহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে।
অভিযানটিকে ওয়াশিংটন “আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পদক্ষেপ” হিসেবে উল্লেখ করলেও তেহরান এটিকে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে প্রতিশোধমূলক হামলার ঘটনাও ঘটে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশে সামরিক অভিযান নিয়ে মার্কিন জনগণের সতর্ক মনোভাব নতুন নয়। তবে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিহত হওয়ার মতো বড় ঘটনার পরও সীমিত জনসমর্থন ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে।
এদিকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ উত্তেজনা কমিয়ে কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে, যদিও ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, সামরিক অভিযান এখনো শেষ হয়নি।






