যুদ্ধের আগুনে বৈশ্বিক জ্বালানি শিরা বিপর্যস্

হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল দুই পাশে আটকে শতাধিক তেল ও এলএনজি ট্যাংকার।
টুইট প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এর যৌথ হামলার দ্বিতীয় দিনে পাল্টা জবাব অব্যাহত রাখায় প্রণালির দুই পাশে অন্তত দেড় শতাধিক তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী (এলএনজি) জাহাজ আটকে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি চরমে পৌঁছানোয় ট্যাংকারগুলো উপসাগরের খোলা জলসীমায় নোঙর করে অপেক্ষমাণ রয়েছে। এসব জাহাজের মধ্যে রয়েছে অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি বহনকারী সুপার ট্যাংকার, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
একই সময়ে রয়টার্স-এর মেরিন ট্রাফিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরাক ও সৌদি আরব-এর উপকূলসংলগ্ন খোলা জলসীমায় অসংখ্য ট্যাংকার জড়ো হয়ে আছে। বিশ্বের শীর্ষ এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতার-এর উপকূলের কাছেও বহু গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল কোথায়বন্ধ রেখেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি হলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। এর ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।






