সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়নের অঙ্গীকার আজহারুলের

আব্দুল্লাহিল শাহীন (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ): আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর প্রার্থী ও দলের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম বিজয়ী হওয়ার পর দুই উপজেলার সর্বস্তরের মানুষকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করতে চান।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ এলাকার সাধারণ মানুষ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, “মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আজ আমি পৃথিবীর মুখ দেখতে পাচ্ছি। বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জের সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোট দেওয়ার কারণে আমি বিজয়ী হয়েছি। একসময় আমার বাড়ির পাশে কবর কোথায় হবে সেটিও প্রশাসনের লোকজন নির্ধারণ করে দিয়েছিল। মহান আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন—হয়তো আমার হাত দিয়ে ভালো কিছু করিয়ে নেবেন। আমিও আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে ভালো কিছু করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, ১৪ বছর কারাগারে যাওয়ার আগে এই এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন। এখন যেহেতু তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, কাজের পরিধি আরও বেড়েছে। সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলেও জানান তিনি।
পক্ষপাতিত্ব না করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, “আমি কখনো কোনো পক্ষপাতিত্ব করিনি, ভবিষ্যতেও করব না। আমার কাছে দুই উপজেলার সবাই সমান। তবে কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে দেশের উন্নয়নেও আমাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এমন কোনো কাজ করা যাবে না যাতে অন্য কোনো মানুষের ক্ষতি হয় বা মানুষ কষ্ট পায়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান চোখে দেখতে হবে। সুখে-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়—মানুষ আমাদের আচরণ, ব্যবহার ও কাজের মাধ্যমেই মূল্যায়ন করবে।”
তিনি এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
উল্লেখ্য, রংপুর-2 আসনে তিনি ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৮৬২ ভোট। প্রায় ৫৪ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পান এটিএম আজহারুল ইসলাম।





