ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: রুমিন বনাম জুনায়েদ, ভোটের লড়াই উত্তপ্ত

স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা হাঁস প্রতীকে, বিএনপি জোটের জুনায়েদ খেজুর গাছে ভোটারদের কাছে সমর্থন চাইছেন; ভোটাররা দ্বিধাগ্রস্ত।
টুইট প্রতিবেদক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার কিছু ইউনিয়ন) আসনের নির্বাচনি মাঠে এখন সরগরম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবীব এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেন্দ্রীভূত হয়েছে।
প্রচারাভিযান চলাকালীন, রুমিন ফারহানা হাঁস প্রতীকে এবং জুনায়েদ আল হাবীব খেজুর গাছ প্রতীকে ভোটারদের কাছে উপস্থিত হচ্ছেন। রুমিন ফারহানা দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তিনি ভোটারদের দ্বারায় দ্বারায় প্রচার চালাচ্ছেন এবং স্থানীয় মানুষের মধ্যে গণজোয়ার লক্ষ্য করছেন।
অন্যদিকে, জুনায়েদ আল হাবীবের পক্ষেও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি সরাইল সফরে তার পরিচয় দেওয়ার মাধ্যমে সমর্থন বাড়িয়েছেন। বিএনপি নেতাকর্মীরা জোট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
এ আসন ঐতিহ্যগতভাবে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপি বা জোটের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তবে এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক না থাকায় কিছু ভোটার মধ্যে দ্বিধা লক্ষ্য করা গেছে।
ভোটাররা বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে তারা নির্দিষ্ট প্রতীক ও দলের প্রার্থী আশা করতেন। তাছাড়া, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারও গ্রামগঞ্জে ব্যাপকভাবে চলছে। বিশেষ করে তরুণ ও মহিলা ভোটাররা ভোটের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেন, তিনি প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব এবং বড় রাজনৈতিক দলের প্রচারণার প্রভাবের বিষয়ে সতর্ক করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনে কোনো অনিয়ম না হলে তিনি ভোটে বিজয়ী হবেন।
বিএনপি জোট প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব দাবি করেছেন, তার প্রচারণা শান্তিপূর্ণ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন এবং আসনের ঐতিহ্য অনুযায়ী জয়ের আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচন কমিশন এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকগণ এবারের ভোটের জন্য নজরদারি করবেন। ভোটগ্রহণ আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।






