রংপুরে গণভোট সচেতনতামূলক আয়োজন: জনগণের আগ্রহ বৃদ্ধি বড় চ্যালেঞ্জ

ছবি: নিজস্ব

গণভোট সচেতনতা বাড়াতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজন চলছে, তবে কিছু এলাকায় অংশগ্রহণ কম হওয়ায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুরে আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দারুসসুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গণভোট বিষয়ে অভিভাবক সচেতনতামূলক দিনব্যাপী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে হলেও স্থানীয়দের উপস্থিতি কম থাকায় আয়োজকদের মধ্যে জনগণের সচেতনতা ও আগ্রহ বৃদ্ধি করাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা গেছে।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সভাপতি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও প্রভাষক বুলবুল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি গণভোটের গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও সুফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “গণভোট একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে জনগণ সরাসরি তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারে। সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।”

বুলবুল হোসেন আরও বলেন, অভিভাবকরা নতুন প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি সতর্ক করেছেন, নাগরিক সচেতনতা না বাড়লে গণভোট প্রক্রিয়ার লক্ষ্য পূরণ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সমাবেশে উপস্থিত অভিভাবকরা গণভোট সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করলে সভাপতি তা ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেন। এতে গণভোটের পদ্ধতি, অংশগ্রহণের নিয়ম এবং নাগরিক দায়িত্ব বিষয়ক খোলামেলা আলোচনা হয়।

অধ্যক্ষ ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজন নিয়মিতভাবে করা হলে স্থানীয় জনগণ গণভোটের গুরুত্ব এবং তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করবে। এছাড়া সমাবেশে অংশগ্রহণ কম হওয়ায় এটি প্রকাশ করে যে, গ্রামের কিছু মানুষ এখনও গণভোট এবং নাগরিক অধিকার বিষয়ে সচেতন নয়, যা ভবিষ্যতে বিশেষ উদ্যোগ ও প্রচারণার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন।

সাংবাদিক আব্দুল্লাহিল মতিন শাহীন বলেন, “গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। জনগণ যত বেশি সচেতন হবে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া তত শক্তিশালী হবে। নতুন প্রজন্মকে নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়াও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এ ধরনের সচেতনতামূলক সমাবেশ খুবই জরুরি।”