জ্বালানি খাতে মার্কিন সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকায় বৈঠক

জ্বালানি খাতে মার্কিন সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টার বৈঠক।
টুইট প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাউজুল কবির খানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি লেখেন—“যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে মুহাম্মদ ফাউজুল কবির খানের সঙ্গে চমৎকার আলোচনা হয়েছে। অনশোর অনুসন্ধান, বিদ্যুৎ গ্রিড এবং এলএনজি ও এলপিজি সরবরাহে মার্কিন জ্বালানি সমাধান সারাদেশে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করছে। বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা বাড়তে থাকায় মার্কিন উদ্ভাবন এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।”
বৈঠকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ ও ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে মার্কিন প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে, স্থলভিত্তিক (অনশোর) তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে মার্কিন কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আধুনিকীকরণ ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি, এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) ও এলপিজি (তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস) আমদানি ও সরবরাহে সহযোগিতা, শিল্প ও গৃহস্থালি খাতে সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিতকরণ নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
এই বৈঠক বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় জ্বালানি খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্বালানি চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। সেই প্রেক্ষাপটে মার্কিন উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ কীভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে পারে—তা বৈঠকে গুরুত্ব পায়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের আলোচনা ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করবে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।






