পার্বত্য তিন জেলায় তীব্র গ্যাস সংকট

অসীম রায় (অশ্বিনী), বান্দরবান: বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি, ১৮ জানুয়ারি – পার্বত্য তিন জেলায় তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বান্দরবানসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের অধিকাংশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সারি সারি গ্যাস চালিত অটোরিকশার দীর্ঘ লাইন দৃশ্যমান হয়েছে।
বান্দরবান সদর উপজেলার লামিয়া ফিলিং স্টেশনে সকাল ৮টা থেকে শত শত সিএনজি অটোরিকশা লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরার অপেক্ষা করছে। গ্যাস সংকটের কারণে ঠিক সময়ে গাড়িতে জ্বালানি না পাওয়ায় সিএনজি চালকরা বিপাকে পড়েছেন। রাঙ্গামাটির বাঙ্গালহালিয়া থেকে ফিলিং স্টেশনে আসা ড্রাইভার আব্দুল আলম জানান, “ফিলিং স্টেশন থেকে মাত্র ৫০০ টাকার গ্যাস দেওয়া হচ্ছে, তাই ভাড়া ওঠানো ও পরিবারের বাজার করা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
লamia ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোঃ মনিরুল ইসলাম সিকদার বলেন, “বান্দরবানে চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে তিনটি বন্ধ। তাই দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের ফিলিং স্টেশনে যতক্ষণ গ্যাস থাকবে, ততক্ষণ সরবরাহ চালিয়ে যাবো। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সর্বাধিক সংখ্যক ব্যবহারকারীকে উপকৃত করার জন্য প্রতিটি যানবাহনে ৫০০ টাকার গ্যাস দেওয়া হচ্ছে।”
বিএম অটো গ্যাসের দক্ষিণ চট্টগ্রামের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ ফরিদুল আলম জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের সংকটের কারণে সরবরাহে অভাব দেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, “এটিতে কোন সিন্ডিকেটের প্রভাব নেই। আমরা পার্বত্য এলাকায় কয়েকটি গাড়ি পাঠিয়েছি এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এবং কৃত্রিম সংকট কেটে গেলে গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।






