ইইউ ইলেকশন অবজারভার বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু

চিফ অবজারভার আইভার্স ইজাবস প্রধান উপদেষ্টা ইউনুসের সঙ্গে সাক্ষাৎ!
টুইট ডেস্ক: বাংলাদেশে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশন (EU EOM) পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ শুরু করেছে। মিশনের চিফ অবজারভার এবং ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্য আইভার্স ইজাবস (লাটভিয়া) গতকাল (১১ জানুয়ারি) স্টেট গেস্ট হাউস যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুস-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এই সময় ইইউ ডেলিগেশনের অ্যাম্বাসেডর মাইকেল মিলারও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে নির্বাচনের প্রস্তুতি, রেফারেন্ডাম প্রক্রিয়া এবং দেশজুড়ে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা করা হয়। চিফ অবজারভার ইজাবস বলেন, “বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে ইতিবাচক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের তিনটি জাতীয় নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, আসন্ন নির্বাচন এবং রেফারেন্ডাম হবে মুক্ত, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য এবং উৎসবমুখর।”
প্রধান উপদেষ্টা ইউনুসও আশ্বাস দেন যে, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং ভোটাধিকার সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। ইজাবস জোর দেন, নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং অংশগ্রহণমূলক হওয়া উচিত, যাতে নারী, সংখ্যালঘু ও আঞ্চলিক জনগোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মিশন ডিসেম্বর ২০২৫-এর শেষ দিকে শুরু হয়েছে। বর্তমানে ৫৬ জন লং-টার্ম অবজারভার সারাদেশের ৬৪টি জেলায় মোতায়েন আছেন। নির্বাচনের সময় মোট প্রায় ২০০ জন অবজার্ভার কাজ করবেন, যার মধ্যে কোর টিম, শর্ট-টার্ম অবজারভার ও ইইউ পার্লামেন্ট ডেলিগেশন অন্তর্ভুক্ত। মিশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা, যা স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং অ-হস্তক্ষেপী।
নির্বাচনের পর প্রাথমিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে (১৪ ফেব্রুয়ারি) ফলাফল প্রকাশ করা হবে এবং দুই মাসের মধ্যে বিস্তারিত ফাইনাল রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এই পূর্ণাঙ্গ ইলেকশন অবজারভেশন মিশন ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশের জন্য প্রথম। ইজাবস উল্লেখ করেন, এটি ইইউ-বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অংশীদারিত্বের প্রতীক।






