মুছাব্বির হত্যা: প্রধান শুটারসহ তিনজন আটক

টুইট ডেস্ক: রাজধানীর কাওরানবাজারের তেজতুরী বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যার ঘটনায় মানিকগঞ্জ এবং গাজীপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে প্রধান শুটারসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) গভীর রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল তাদের আটক করেছে।
ডিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত শুটার জিনাত এবং সন্দেহভাজন পরিকল্পনাকারী বিল্লালসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত তৃতীয় ব্যক্তি এই দুজনের সহযোগী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর তেজতুরী বাজারের স্টার হোটেলের গলিতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির (৪৫) নিহত হন।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া দৃশ্যে অন্তত দুইজনের চেহারা চিহ্নিত হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার রাতে স্টার কাবাব হোটেলের দ্বিতীয়তলা থেকে আলোচনা শেষ করে সিটি হোন্ডা সার্ভিস পয়েন্টের সামনে দিয়ে গলির দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন মুসাব্বির ও মাসুদ। তাদের পেছন পেছন আরও দুই ব্যক্তি যাচ্ছে। সামনের রাস্তায় বসে আছে আরও কয়েকজন যুবক। মুসাব্বির ও মাসুদ ওই রাস্তা দিয়ে সামনে এগুতেই দুই যুবক গলির মধ্যে থেকে হঠাৎ এসে মুসাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
একটি গুলি লাগে মুসাব্বিরের ডান হাতের কনুইয়ের নিচে, আরেকটি তার পেটের ডান পাশে। গুলি লাগার সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়েন তিনি। ওই সময় মাসুদ তাকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে ওই দুই শুটার কোমরে পিস্তল গুঁজতে গুঁজতে হেঁটে মেইন রাস্তা দিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত মুসাব্বির ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরবের অনুসারী। তিনি আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এই এলাকা থেকে কাউন্সিলর নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। আলোচনায়ও ছিলেন। এটাই কাল হয়েছে তার।






