নতুন করে ১৫০০ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে

টুইট ডেস্ক: টানা আন্দোলন, অনশন ও মৃত্যুর পর বেসরকারি নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর। সরকার ১৫০০ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত (মাসিক বেতন-ভাতা প্রদানের আওতায়) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে সারা দেশে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ শিক্ষক-কর্মচারী সরকারি বেতন ও ভাতার আওতায় আসবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ১৪ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে ‘Online MPO Application’ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন নেওয়া হবে। পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে হবে। বিশেষ সফটওয়্যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সংখ্যা, শিক্ষক সংখ্যা, পরীক্ষার পাসের হার ও অবকাঠামোগত সক্ষমতার ভিত্তিতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে স্কোর দেবে।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস), বুয়েটসহ একাধিক আইটি বিশেষজ্ঞের কমিটি যাচাই-বাছাই করবে। সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত কমিটি অনুমোদন দেবে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি নিয়ে কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান বলেন, যোগ্য সব প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিতভাবে এমপিওভুক্ত করা হবে। বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী যতগুলো প্রতিষ্ঠান সম্ভব প্রথম ধাপে এমপিওভুক্ত করা হবে, বাকি প্রতিষ্ঠান অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকবে।
শিক্ষা খাতে এই বছর বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা; এর মধ্যে স্কুল ও কলেজের জন্য ২৫০ কোটি এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০ কোটি টাকা।
নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি সেলিম মিয়া বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের ফলেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। তারা আশা করছেন, নির্বাচনের আগেই সব যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বছর নন-এমপিও শিক্ষকরা ৮৭ দিন আন্দোলন করেছেন; জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ৩৭ দিন অবস্থান ও অনশন চালানো হয়েছে। আন্দোলনের সময় ১৯ জন শিক্ষক মারা গেছেন।






