কক্সবাজারে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

সেনাবাহিনী–পুলিশের যৌথ অভিযান। এলজি, পিস্তল ও বিপুল গোলাবারুদ জব্দ। সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের রামু উপজেলায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে এক নারীকে গ্রেফতার করা হলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামু থানাধীন গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের থোয়াইংগাকাটা সামারঘোনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে রামু থানা পুলিশ ও গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে একটি বাড়ি ও আশপাশের এলাকা তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে—একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুটি পুরোনো ও জংধরা পিস্তল, ছয়টি বড় চাইনিজ রাইফেলের গুলি, ৪৯টি ছোট পিস্তলের গুলি, চারটি শটগানের ব্যবহৃত খোসা, একটি বড় বন্দুকের বাটের অংশবিশেষ, দুটি লম্বা দা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি বাটন মোবাইল ফোন সেট এবং একটি কাটার।
পরে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উদ্ধার করা এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দ করা হয়।
এ সময় অভিযানস্থল থেকে আয়শা বেগম রিয়া (২০) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর সঙ্গে এলাকায় সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
রামু থানা পুলিশ জানায়, পলাতক অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ কী উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






