তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বৈঠক

  • দেশে ফেরার পর তারেক রহমানের প্রথম ব্যবসায়ী সাক্ষাৎ।
  • নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক খাতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার।
  • কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা ছাড়াই বৈঠক।

ব‌দিউল আলম লিংকন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তারা।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পার্থ), বিএইচএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএ-এর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, এমসিসিআই-এর সভাপতি কামরান টি রহমান, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার, বিসিএমইএ-এর সভাপতি মইনুল ইসলাম স্বপন, আইসিসি বাংলাদেশের সিইও সিমিন রহমান, উত্তরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউর রহমান প্রমুখ।

বৈঠকে অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ, শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে। এটি তারেক রহমানের সাম্প্রতিক দেশে প্রত্যাবর্তনের পর ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার প্রথম উল্লেখযোগ্য বৈঠক।

তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎটি মূলত একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ কুশল বিনিময় এবং সাধারণ মতবিনিময়ের বৈঠক হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা বা গভীর নীতিনির্ধারণী আলোচনা হয়নি বলে জানা গেছে।

বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেছেন। আলোচনায় মূলত দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, শিল্পখাতের চ্যালেঞ্জসমূহ এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণ নিয়ে সাধারণ মতবিনিময় হয়েছে।

ব্যবসায়ী নেতারা তারেক রহমানকে দেশে ফিরে আসার জন্য অভিনন্দন জানান এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বিএনপির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা করেন। তবে বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি বা চুক্তি হয়নি।

এটি তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার প্রথম উল্লেখযোগ্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক খাতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক জোরদারের ইঙ্গিত বহন করে।