সিলেটে ইবিএফসিআই–ডিসি বৈঠকে এনআরবি জোনের প্রস্তাব

সিলেটকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ হাবে রূপান্তরের পরিকল্পনা।

শহিদুল ইসলাম, সিলেট: প্রবাসী বাংলাদেশিদের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে ইউরোপ-বাংলাদেশ ফেডারেশন অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ইবিএফসিআই)-এর একটি প্রতিনিধিদল সিলেটের জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলমের সঙ্গে আলোচনা সভায় মিলিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) মাসুদ রানা।

ইবিএফসিআই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন স্কটল্যান্ডে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ও ইবিএফসিআই-এর প্রেসিডেন্ট ড. ওয়ালী তছর উদ্দিন এমবিই, ডিবিএ, ডি.লিট। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ইবিএফসিআই-এর উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুসাদ্দেক এ চৌধুরী, জমজম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিন চৌধুরী, পরিচালক আথাইর খান, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সাবাওয়ার চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক সাখাওয়াত আলী, আর্থিক পরামর্শক ও জমজম বাংলাদেশের পরিচালক সাব্বির চৌধুরী, পরিচালক মিজান চৌধুরী (কানাডা), সদস্য মুজিবুর রহমান, কনসালটেন্ট আর্কিটেক্ট অ্যান্ড ডিজাইনার শাকুর মজিদ (বাংলাদেশ), এশিয়ান স্মল বিজনেস ফেডারেশনের সভাপতি ও ইবিএফসিআই-এর সহযোগী সদস্য এম এ গনি (দুবাই) এবং প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া করেসপন্ডেন্ট মোঃ শহিদুল ইসলাম।

ড. ওয়ালী তছর উদ্দিন এমবিই বলেন, বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় যুক্তরাজ্য, ইউরোপ ও সিলেটের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করে টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। প্রবাসীরা সিলেটের মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও নিরাপদ কর্মসংস্থানে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার আলম প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তার আশ্বাস দেন। তিনি করমুক্ত বিনিয়োগ সুবিধা, এনআরবি বিনিয়োগ জোন স্থাপনসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি সিলেটে ‘এনআরবি ইনভেস্টমেন্ট জোন’ ও ‘স্মার্ট সিটি’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন, যেখানে জমি ও কাগজপত্র সংক্রান্ত জটিলতা সমাধান করা হবে।

এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এই সভা প্রবাসীদের সাথে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি সিলেটের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা জোরদার করতে পারে, বিশেষ করে বিনিয়োগ জোন এবং স্মার্ট সিটি প্রকল্পের মাধ্যমে।